
আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে তাকে আটকের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও ইতোমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাকে নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে এলাকাবাসী রিপন মিয়াকে আটক করেন। পরে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রিপন মিয়ার ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি তিনি পাশের নন্দুরা গ্রামে জমি কিনে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই অভিযুক্ত কিশোরীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিশোরীর পরিবারের দাবি, আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে ওই সম্পর্ক তৈরি করেন রিপন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপর বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হিসেবে রিপন মিয়া ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন বলে জানা যায়। তবে বিষয়টি পরে ছড়িয়ে পড়লে রোববার রাতে নন্দুরা বাজারে সালিশ বসে।
অভিযোগের বিষয়ে রিপন মিয়ার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ফেসবুকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। তার সহজ-সরল উপস্থাপনা এবং ঘরোয়া ভিডিওর মাধ্যমে অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। বিশেষ করে ‘হাই আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপ দুটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।
মন্তব্য করুন